girlchild day

  Celebration

 
Search  ...a  page
Links

 

  Girl Child Day Celebration

  Women Day Celebration

  Art Competition

  Debate Competition

  Training

  Workshop & seminar

  I. M. Language Day

  World Health Day

   International Labor Day

 

standing Committee of Forum
 
Recent

 

 
 


২০০৮ | | ২০০৭ | | ২০০৬ | | ২০০৫  

সুযোগ চাই, বাধা নয়, করব আমি বিশ্ব জয়
জাতীয় কন্যাশিশু দিবস, ২০০৭

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০০৭
অষ্টম বারের মত সারা দেশে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপন

 
‘সুযোগ চাই, বাধা নয় - করব আমি বিশ্ব জয়’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অষ্টমবারের মত সারা দেশে পালিত হল জাতীয় কন্যাশিশু দিবস। জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের উদ্যোগে এ দিবসকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এরই অংশ হিসেবে কন্যাশিশুদের সার্বিক বিকাশের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে আজ (৩০ সেপ্টেম্বর, ২০০৭) একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমী মিলনায়তনে এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ৮.৩০টায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাননীয় উপদেষ্টা গীতিআরা সাফিয়া চৌধুরী জাতীয় কন্যাশিশু দিবসের বর্ণাঢ্য র‌্যালির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। র‌্যালিতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন তাদের ব্যানারসহ অংশগ্রহণ করেন।র্ যালিটি পাবলিক লাইব্রেরী মিলায়তন থেকে শুরু হয়ে এসে বাংলাদেশ শিশু একাডেমীতে শেষ হয়।র্ যালিতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ষোলশ ছাত্র-ছাত্রীসহ অভিভাবক, শিক্ষক, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ ৩০টি সংগঠনের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করে।
 
র‌্যালি শেষে সকাল ১০.৩০টায় জাতীয় শিশু একাডেমীতে এক বিশেষ আলোচনা সভায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর চেয়ারম্যান জনাব মুশফেকা ইকফাৎ-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাননীয় উপদেষ্টা গীতিআরা সাফিয়া চৌধুরী। এছাড়া অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের সহসভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লতিফা আকন্দ, ভাষা সৈনিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হালিমা খাতুন, বিশিষ্ট কথা-সাহিত্যিক জনাব ইমদাদুল হক মিলন ও জনাব আনিসুল হক, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী’র পরিচালক জনাব শাওলী সুমন, জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের সভাপতি এবং গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কান্ট্রি ডিরেক্টর, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ ড. বদিউল আলম মজুমদার, নিরাপদ সড়ক চাই-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জনাব ইলিয়াস কাঞ্চন ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাবেক মূখ্য বার্তা সম্পাদক জনাব রফিকুল ইসলাম সরকার। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের সম্পাদক জনাব নাছিমা আক্তার জলি।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে সমাজের অর্ধেক অংশ নারী এবং এই মানবসম্পদকে কাজে না লাগালে এবং তাদের সমান অংশিদারিত্ব ও অধিকার নিশ্চিত করা না গেলে দেশ কখনোই সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবে না। তিনি আরো বলেন, এই বোধ থেকেই বিশ্ব শিশু অধিকার সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন ৩০-এ সেপ্টেম্বরকে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি কন্যাশিশু দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, কন্যাশিশুদের সকল ক্ষেত্রে সমান অধিকার দেয়া এবং বাধা অতিক্রম করার জন্য শিশু বয়স থেকেই তাদের উপযুক্ত করে তৈরি করার লক্ষ্যেই জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরাম কাজ করে যাচ্ছে। অধ্যাপক লতিফা আকন্দ বলেন, কন্যাশিশুরা তাদের সুন্দর শৈশবগুলিকে যেন কেমন করে হারিয়ে ফেলে, এটি যেন তারা নিজেরাও বুঝতে পারে না। নির্মল, আনন্দময়, চঞ্চল, প্রাণোজ্জ্বল শৈশবকে ধরে রাখার জন্য কন্যাশিশু দিবস পালনের গুরুত্ব অপরিসীম। ড. হালিমা খাতুন তার বক্তব্যে কন্যাশিশুদের শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আমাদের দেশেই শুধু নয়, সারা বিশ্বেই যেন লেগেছে জাগরণ। আজকের এই শিশু সম্রাটদের উপস্থিতিই তা প্রমাণ করে।

জনাব ইমদাদুল হক মিলন বলেন, প্রতিটি বাড়ি সুন্দর হয় বাবা নয়, মায়ের কারণে। এছাড়া তিনি কর্মক্ষেত্রে নারীদের এগিয়ে যাবার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বলেন, আমরা নিশ্চিত যে, আগামী দিনে আজকের কন্যাশিশুরা আরো উচ্চ আসনে প্রতিনিধিত্ব করবে। ড. বদিউল আলম মজুমদার সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আজকের কন্যাশিশু আগামী দিনের প্রদ্বীপশিখা। তাদের শিক্ষা, চিকিৎসা, পুষ্টি, নিরাপত্তা সর্বোপরি একজন পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে ওঠার সকল অধিকার প্রতিষ্ঠা করার দায়িত্ব পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের। জনাব আনিসুল হক বলেন, কন্যাশিশুদের বেড়ে ওঠার জন্য কোন বাধা নয় উপযুক্ত সুযোগ করে দিতে হবে। আর সুযোগ পেলে সে নিজে আলোকিত হয়ে উঠবে এবং অন্যকে দ্বিগুণ আলোকিত করতে পারবে। আর এভাবেই এক আলোকিত বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।

জনাব ইলিয়াস কাঞ্চন নিজ পরিবারের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, কন্যাশিশুদেরকে একটা সময়ে বাংলাদেশে আলাদা করে দেখা হতো। কিন্তু এখন সময় অনেক এগিয়েছে, সেইসাথে কন্যাশিশুর মেধার উপযুক্ত বিকাশ ও সুযোগ লাভের জন্য বিশেষ নজর যেন থাকে তাদের প্রতি - এটাই হবে আমাদের সকলের প্রত্যাশা। নাছিমা আক্তার জলি কন্যাশিশু দিবসের প্রেক্ষাপট ও জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের বিভিন্নমুখি কর্মসূচির কথা তুলে ধরে বলেন, কন্যাশিশুদের অবস্থা ও অবস্থানের ইতিবাচক পরিবর্তনের এই প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ জরুরি।

অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ে নাচ, গান, আবৃত্তি, নাটক ইত্যাদির মাঝে দিয়ে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক আয়োজন পরিবেশিত হয় এবং জাতীয়ভাবে অনুষ্ঠিত রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিজয়ীদের সকলের হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেয়া হয়।
 
 

সৌজন্যে: প্লান বাংলাদেশ, সহযোগিতায়: কন্যাশিশু এডভোতেকেসি ফোরাম ও শিশু একাডেমী

 

National Girl Child Advocacy Forum

Contact Us

3/7 Asad Avenue Mohammodpur, Dhaka-1207

Ph-(880-2) 8112622, (880-2) 8127975, Fax-(880-2)8116812, E-mail-thpb@bangla.net