girlchild day

  Celebration

 
Search  ...a  page
Links

 

standing Committee of Forum
 
Recent

 

 
 
 
 
 
 
 


কন্যাশিশু বার্তা

 

উত্ত্যক্তকারীর শাস্তি, কন্যাশিশুর মুক্তি
এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশব্যাপি পালিত হল জাতীয় কন্যাশিশু দিবস


‘উত্ত্যক্তকারীর শাস্তি, কন্যাশিশুর মুক্তি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গত ১৫ অক্টোবর জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরাম এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে সারাদেশে পালিত হয়ে গেল জাতীয় কন্যাশিশু দিবস-২০০৮৷ এ উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী দেশের ৬৪টি জেলা, ১৯১টি উপজেলা, ৪১৮টি ইউনিয়নের ৬৭৩টি স্থানে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়৷ ২৫টি জাতীয় ও ৪০টি স্থানীয় সংবাদপত্রে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ ফিচার ও সংবাদ প্রকাশিত হয়৷ এছাড়া ৮টি টিভি চ্যানেলে বিভিন্ন কর্মসূচির সচিত্র প্রতিবেদন প্রচার করা হয়৷

রাজধানী ঢাকা ছাড়াও সারা দেশে গত ১৫ অক্টোবর বর্ণাঢ্যর্ যালি, আলোচনাসভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়৷ রাজধানী ঢাকাতে এদিন সকাল ৯.০০ টায় পাবলিক লাইব্রেরী প্রাঙ্গণে ১৮০০ শিশু-কিশোর এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংগঠনের নারী-পুরুষের প্রাঞ্জল উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়। র‌্যালিরর্ যালি৷র্ যালির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন মাননীয় উপদেষ্টা জনাব রাশেদা কে চৌধুরী৷ র‌্যালীতে কন্যাশিশুর অধিকার সংরক্ষণের নানা স্লোগানসমৃদ্ধ ব্যানার ফেস্টুন বেলুন শোভা পায়৷র্ যালিতে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর চেয়ারম্যান ও যুগ্ম সচিব জনাব মুশফেকা ইক্‌ফাৎ, জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের সভাপতি ড. বদিউল আলম মজুমদার, বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর পরিচালক শাওলী সুমন, সহ-সভাপতি অধ্যাপক লতিফা আকন্দ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. মো. মেহের-ই-খোদা, বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাবেক মুখ্য বার্তা সম্পাদক জনাব রফিকুল ইসলাম সরকার, ্যাপ বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক জনাব নুরুল আলম, কন্ঠশিল্পী ইফ্‌ফাত আরা নার্গিসসহ আরো অনেকে৷ বাংলাদেশ শিশু একাডেমী ও জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের যৌথ উদ্যোগে এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিতর্ যালিটি বাংলাদেশ শিশু একাডেমী প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়৷
র্
যালি শেষে সকাল ১০.৩০টায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমীতে এক বিশেষ আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়৷ ড. বদিউল আলম মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব রোকেয়া সুলতানা৷ দিবসের তাৎপর্য, প্রেক্ষাপট ও ফোরামের বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরে কন্যাশিশুর ইতিবাচক অবস্থান তৈরিতে সকলের অংশগ্রহণ কামনা করে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফোরাম সম্পাদক জনাব নাছিমা আক্তার জলি৷

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রোকেয়া সুলতানা উপস্থিত কন্যাশিশুদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন থাকতে হবে৷ জীবনের লক্ষ্য হতে হবে সুদূর প্রসারী৷ আর লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে উত্ত্যক্ততার মতো সামাজিক ব্যাধি সমন্বিতভাবে আমাদের প্রতিরোধ করতে হবে৷
শিল্পী মুস্-ফা মনোয়ার বলেন, তোমাদের রূপকথার পারুলের মতো অদ্ভুত ক্ষমতাবলে সাত ভাইকে জাগিয়ে তুলতে হবে৷ যাতে কেউ আর উত্ত্যক্ত করতে সাহস না পায়৷
জনাব তাহ্‌মিনা হোসেন বলেন, সম্প্রতি এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে শতকরা ৬৩ ভাগ মেয়েদের বাল্যবিবাহ হয় মূলতঃ বখাটেদের উৎপাতের কারণে৷ তাই তিনি বিশেষত উত্ত্যক্ততা সমস্যার সমাধানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, সহপাঠী এবং পরিবারের মধ্যে উন্মুক্ত আলোচনা ও করণীয় নির্ধারণ হওয়া উচিত বলে মন্-ব্য করেন৷
ড. হালিমা খাতুন তার বক্তব্যে কন্যাশিশুদের শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন ও উত্ত্যক্ততা প্রতিরোধে প্রতিটি ওয়ার্ডে, গ্রামে গ্রামে উত্ত্যক্ততাবিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান৷
অধ্যাপক লতিফা আকন্দ নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার কথা তুলে ধরে বলেন, বেগম রোকেয়া নারীর বিকশিত জীবন দেখতে চেয়েছিলেন৷ তার স্বপ্নপূরণ করার জন্য সকলের সংগঠিত ও সচেতন হওয়া প্রয়োজন৷”
বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর চেয়ারম্যান এবং যুগ্ম সচিব মুশফেকা ইক্‌ফাৎ তার বক্তব্যে আইনের মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজেদের সংঘবদ্ধ ও সোচচার ভূমিকা রাখার উপর গুরুত্ব দেন৷
সভার সভাপতি ড. বদিউল আলম মজুমদার সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে কন্যাশিশু দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে উপস্থিত কন্যাশিশুদের উদ্দেশ্যে বলেন, অধিকার কেউ কাউকে দেয় না৷ তোমাদের নিজেদের অধিকার নিজেদেরই অর্জন করে নিতে হবে৷

কন্যাশিশুদের প্রতিনিধি টিএমএসএস এর কিশোরী সুমাইয়া আক্তার তার জীবনের বঞ্চনার কাহিনী তুলে ধরে পরিবারের মধ্যেই বঞ্চিত হওয়ার কথা ব্যক্ত করে বলেন, জীবনে সাফল্য অর্জনের ক্ষেত্রে আমরা সকলের সমান দৃষ্টি প্রত্যাশা করি৷ ইউসেপ বাংলাদেশের ছোট্টবন্ধু সাহিদা আক্তার তার বক্তব্যে কন্যাশিশুর অধিকার অর্জনে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সচেতনতা দাবি করেন৷
আলোচনা শেষে দেশব্যাপী আয়োজিত রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়৷ পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে দিবসের অনুষ্ঠানমালার সমাপ্তি ঘটে৷ উল্লেখ্য, প্রতিবছর ৩০ সেপ্টেম্বর জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদ্‌যাপন করা হয়ে থাকে৷ কিন্তু পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এবং শারদীয় দুর্গা পূজার জন্য এ বছরই প্রথম ১৫ অক্টোবর দিবসটি পালন করা হয়৷

রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা
কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়৷ প্রতিযোগিতাকে অনানুষ্ঠানিক (সুবিধাবঞ্চিত) এবং আনুষ্ঠানিক দু’টি প্রধান গ্রুপে ভাগ করা হয়৷ এ দু’টি গ্রুপকে আবার শ্রেণী অনুযায়ী ভাগ করা হয়৷ রচনা প্রতিযোগিতায় ৩য় থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণী ুক” গ্রুপে ও ৭ম থেকে এসএসসির শিক্ষার্থীরা ুখ” গ্রুপে অংশগ্রহণ করেন৷ ক গ্রুপের বিষয় ছিলো ুআমার বোন”৷ এতে অনানুষ্ঠানিক গ্রুপ থেকে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকার করেন যথাক্রমে মো. আল আমিন (ঢাকা), ইসমাইল হোসেন (টঙ্গি), মেরীয়ান দাওয়া (নেত্রকোণা) ও আনুষ্ঠানিক গ্রুপে জান্নাতুন নাঈম তানহা (বগুড়া), আল ইকরাম সোহাগ (মেহেরপুর), মোছা. নুসরাত জাহান নিশাত (কুড়িগ্রাম) যথাক্রমে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকার করেন৷ খ গ্রুপের রচনা প্রতিযোগিতার বিষয় নির্ধারিত ছিল ুকিশোরী উত্যক্ততা প্রতিরোধে আমাদের করণীয়”৷ খ গ্রুপের অনানুষ্ঠানিক গ্রুপ থেকে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকার করেন যথাক্রমে মনির হোসেন, মোঃ হানিফ ও জোহরা আক্তার স্মৃতি এবং আনুষ্ঠানিক গ্রুপে মোঃ মাসুদ রানা , আফিয়া আবিদা (বরগুনা), যারিন তাসনীম (ঝিনাইদহ) যথাক্রমে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকার করেন৷
চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় ৬-৮ বছর পর্যন্- ‘ক’, ৯-১২ বছর পর্যন্- ‘খ’ ও ১৩-১৭ বছর পর্যন্- ‘গ’ গ্রুপে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়৷ ‘ক’ গ্রুপে অনানুষ্ঠানিক বিভাগে ১ম, ২য় ও ৩য় হন যথাক্রমে শারমিন আক্তার, রিমা আক্তার, সানজিদা আক্তার আন্না এবং আনুষ্ঠানিক বিভাগে ওয়াশিউ আহম্মেদ, জাহিন ফেরদৌস কাশপিয়া, মুবাশ্বিরা রহমান সিদ্দিকী যথাক্রমে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকার করেন৷ ‘খ’ গ্রুপে অনানুষ্ঠানিক বিভাগে ১ম, ২য় ও ৩য় হন যথাক্রমে পাভেল, আবু জাহিদ ও মনি রানী এবং আনুষ্ঠানিক বিভাগে ১ম, ২য়, ৩য় হন যথাক্রমে আল আমিন আব্দুন নূর, মোঃ শিহাবুদ্দিন রাহী, তাসভিয়া তাহের৷ ‘গ’ গ্রুপে অনানুষ্ঠানিক বিভাগে বিজয়ীরা হলেন মোঃ তারেক হোসেন (১ম), মোঃ দেলোয়ার হোসেন (২য়) ও মোঃ আব্দুল খালেক (৩য়) এবং আনুষ্ঠানিক বিভাগে সাফায়েত হোসেন আসিফ ১ম, সায়েবা আসমা মৌলী ২য় ও তাসনিয়া তারতুসি ৩য় স্থান অধিকার করেন৷

সংবাদ সম্মেলন
বঞ্চিত, অবহেলিত এবং নির্যাতিত শিশুদের কল্যাণে ও তাদের অধিকার সুরক্ষায় সমাজের সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে এবং শিশুদের সমাজের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় শ্রেণী হিসাবে অভিহিত করে গত ১৩ অক্টোবর রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়৷ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরাম, নারী মৈত্রী, বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম, ইউনিসেফ, সেভ দ্য চিলড্রেন সুইডেন-ডেনমার্ক, চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম এবং আইএলওর যৌথ উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়৷ সম্মেলনে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের সভাপতি ড. বদিউল আলম মজুমদার৷ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন শিশু একাডেমীর পরিচালক শাওলী সুমন, বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের সভাপতি ওয়াহিদা বানু, নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আক্তার ডলি, চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরামের নির্বাহী পরিচালক আজগর আলী, ইউনিসেফ প্রতিনিধি আরিফা শারমিন, সেভ দ্য চিলড্রেন সুইডেন-ডেনমার্কের আবাসিক প্রতিনিধি নিলস বেনজেন প্রমুখ৷

গোলটেবিল বৈঠক
গত ১৮ অক্টোবর ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘উত্ত্যক্ততা প্রতিরোধ ও প্রতিকারে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়৷ একশন এইড, বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় বৈঠকটি যৌথভাবে আয়োজন করে জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরাম, সাপ্তাহিক ২০০০ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমী৷
বৈঠকের সভাপতি ও সঞ্চালক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ - এর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাফ্‌ফর আহমদ বলেন, আমাদের ছেলে-মেয়েদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ তৈরি করতে হবে৷ তৈরি করতে হবে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ৷ তাহলেই উত্ত্যক্ত করার এই অসুস্থ মানসিকতা দূর হবে৷
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভানেত্রী আয়েশা খানম তার বক্তব্যে নারীর সমানাধিকারের দাবি তোলেন৷ সেই সাথে তিনি যে কোনো কর্মযজ্ঞে নারীর আরো বেশি অংশগ্রহণ এবং পাঠ্যপুস্-কে ও পরিবারে এ সংক্রান্- শিক্ষা দেওয়া এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের দাবি জানান৷ গোলটেবিল বৈঠকে আরো বক্তব্য রাখেন হামিদা হোসেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, এ্যাডভোকেট সালমা আলী, সাবেক সচিব ডা. তাহমিনা হোসেন, মইনুল আহসান সাবের, নাইমা ইমাম চৌধুরী, সিস্টার আশা ভি গমেজ, ড. গোলাম মুরশিদ, জনাব কামরুন্নেসা হাসান মেনকা প্রমুখ৷

সচেতনতামূলক বিতর্ক
শিশু অধিকার সপ্তাহের সমাপনী দিনে অর্থাৎ গত ২০ অক্টোবর বাংলাদেশ শিশু একাডেমী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় এক বিশেষ সচেতনতামূলক বিতর্ক৷ বাংলাদেশ শিশু একাডেমী, জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরাম ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসী’র আয়োজনে এবং ডন ফোরাম এর সহযোগিতায় দেশের খ্যাতনামা দু’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তার্কিকদের অংশগ্রহণে এই বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়৷ ‘আইনের বিধানই পারে উত্ত্যক্ততা প্রতিরোধ করতে’ শীর্ষক এই বিতর্ক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব রোকেয়া সুলতানা৷
এছাড়াও অনুষ্ঠানে সম্মানিত বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নটরডেম কলেজের প্রিন্সিপাল ফাদার বেঞ্জামিন কস্-া, সিএসসি, বিশিষ্ট নারী গবেষক ড. রওশন জাহান; বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. মোঃ মেহের-ই-খোদা; ডন ফোরামের চেয়ারপার্সন গুলশান আরা চৌধুরী, বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর পরিচালক শাওলী সুমন এবং জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের সম্পাদক নাছিমা আক্তার জলি৷ জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের সহ-সভাপতি অধ্যাপক লতিফা আকন্দ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসীর চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ৷
বিতর্কের পক্ষ দলে ছিলেন মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরী উচচ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কায়নাত আজাদ ভুঁইয়া (দলনেতা), নুসরাত আলম নাবিলা ও জেরিন নাসরিন টুম্পা এবং বিপক্ষ দলে ছিলেন ক্যামব্রিয়ান কলেজের মোঃ সাজেদুল ইসলাম (দলনেতা), আসিফুর রহমান শুভ্র ও মোঃ তুফান আহমেদ আরিফ৷ তর্কের খাতিরে দল দুটো পক্ষে বিপক্ষে বিভিন্ন যুক্তি উপস্থাপন করলেও কন্যাশিশুর অধিকার রক্ষায় তারা সহমত প্রকাশ করতে ছাড়েন নি৷ বিতর্কে উভয় দলই সমান সংখ্যক নম্বর পেয়ে বিজয়ী হয়৷ বিতর্ক শেষে বিতার্কিকদের ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়৷

সারাদেশে কন্যাশিশু দিবস উদ্‌যাপনের প্রতিবেদন
অন্যান্য বছরের ন্যায় এ বছরও ‘জাতীয় কন্যাশিশু দিবস’ উপলক্ষে জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের উদ্যোগে দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়৷ দি হাঙ্গার প্রজেক্টের উজ্জীবকদের আয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ে বিতর্ক ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, কর্মশালা, বৃক্ষরোপন, মা সমাবেশ, উঠান- বৈঠক, মানববন্ধন, আলোচনাসভা,র্ যালি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান প্রভৃতি কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়৷ অনুষ্ঠানসহূহে জেলা প্রশাসক, থানা নির্বাহি কর্মকর্তা, স্থানীয় চেয়ারম্যান- মেম্বারসহ সকল শ্রেণীর স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন৷ বরাবরের মতো এবছরও প্রচার মাধ্যমগুলো দিবসকে গুরুত্ব দিয়ে স্থানীয়ভাবে প্রকাশ করে বিশেষ সংবাদ ও প্রতিবেদন৷

কন্যাশিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মুন্সিগঞ্জের বর্ণাঢ্যর্ যালি
মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে কন্যাশিশুরা এক বর্ণাঢ্যর্ যালি নিয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে৷ এ সময় তারা ‘কন্যাশিশুর মুক্তি, উত্ত্যক্তকারীর শাস্-ি’ স্লোগানে মুখরিত হয়৷ জেলা ফোরাম সম্পাদক নাসিমা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে কন্যাশিশুদের অধিকার রক্ষার আলোচনায় বসেন শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা৷ শহর ছাড়াও সদরের অন্-র্গত রামপাল, মিরকাদিমে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালিত হয়৷ জেলার শ্রীনগর উপজেলার রাঢ়ীখালেও স্থানীয় উজ্জীবক, কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরাম ও বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের উদ্যোগে দিবস উদযাপন করা হয়৷

অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করল গাজীপুরের কন্যাশিশুরা
নারী নেত্রী ও ভিটিআর নাহিদ সুলতানার নেতৃত্বে জেলার কালীগঞ্জে দিবসটি পালনের্ যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়৷ কালীগঞ্জ থানার নির্বাহী অফিসারসহ শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত থেকের্ যালি ও আলোচনা সভাকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলে৷
জেলার গাছা এলাকায়র্ যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেন স্থানীয় উজ্জীবকরা৷ এতে বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকসহ সমাজের নানা স্-রের মানুষ উপস্থিত ছিলেন৷ আলোচনা সভায় কন্যাশিশুদের মতামতকে প্রাধান্য দেয়ার কথা বলা হয়৷
জেলার কালিয়াকৈরের ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নে ফোরামের আহবায়ক ও যুগ্ম আহবায়ক শেফালী আক্তার ও সুরাইয়া আক্তারের নেতৃত্বের্ যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়৷ স্থানীয় উজ্জীবকসহ শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা দিবসটি উদযাপন করেন৷ আলোচনায় কন্যা শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠায় উপস্থিত সকলে অঙ্গীকারাবদ্ধ হন৷
ভিটিআর মোকসেদ মোল্যা সাদ্দামের সভাপতিত্বে জেলার শ্রীপুরের মাওনায়র্ যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়৷ আলোচনায় অংশ নেন হাজী ছোট কলিম উচচ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আ. হান্নান ও সিনিয়র শিক্ষক মৌলভী আনোয়ারুল হক সরকারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা৷
আনোয়ারা ও আফরোজা করিমের নেতৃত্বে শ্রীপুর উপজেলা কার্যালয়ের সামনে থেকে একটির্ যালি বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে৷র্ যালি শেষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়৷ আলোচনায় কন্যা শিশুর অধিকার পরিবার থেকেই প্রতিষ্ঠা করার অঙ্গীকার করা হয়৷
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় নারী নেত্রী রীনা মন্‌জুর ও বীথি বেগমের নেতুত্বের্ যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়৷

নারায়ণগঞ্জের কন্যাশিশুরা মেতে উঠলো কবিতায়
শহরের প্রাণকেন্দ্র আলী আহমেদ পৌর পাঠাগার মিলনায়তনে নারায়ণগঞ্জের কন্যাশিশুরা বিকেল বেলায় মেতে ওঠে আবৃত্তি প্রতিযোগিতায়৷ কবিতায় কবিতায় তারা তাদের অধিকার আদায়ের কথা বলেন৷ এর আগে শহরের বিশিষ্ট জনেরা বসেন ‘কন্যাশিশুর মুক্তি, উত্ত্যক্ততাকারীর শাস্-ি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায়৷ দুটো অনুষ্ঠানেরই আয়োজন করে কল্যাণী সেবা প্রতিষ্ঠান ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর৷ কল্যাণী’র সভাপতি ডা. জিএম জববার চিশতি, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সাইফুদ্দিন হাসান আলী, কবি আমজাদ হোসেন, আরিফ মিহির, সাইদ হাসান সেলিম, নারী নেত্রী রহিমা আক্তার লিজা, সাংবাদিক মোক্তার হোসেনসহ শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন৷
শহর ছাড়াও জেলার সোনারগাঁ, রূপগঞ্জ, আড়াই হাজার ও সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় উজ্জীবক, কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরাম, বিভিন্ন সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে দিবসটি পালন করা হয়৷


উত্ত্যক্ততা প্রতিরোধে কঠোর আইন প্রণয়নের দাবিতে রংপুরের্ যালি ও আলোচনাসভা
রংপুরের শতাধিক স্থানে কন্যাশিশু দিবস পালন করা হয়৷ যার মধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে ১০৩, উপজেলা পর্যায়ে ৩৩ এবং জেলা পর্যায়ের ৮টি স্থান উল্লেখ্যযোগ্য৷ দিনের কর্মসূচির মধ্যে ছিলর্ যালি, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা৷ সকালে রংপুর শিশু একাডেমী থেকে একটি বর্ণাঢ্যর্ যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে৷র্ যালি শেষে বেগম রোকেয়া বালিকা বিদ্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ সভায় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেখা রানী রায়, জেলা সুজন সম্পাদক আকবর হোসেন এবং নারী নেত্রী ইরা হক, দিলারা হোসেন ইলালী ও সফুরা রেজা চৌধুরী৷ সভায় বক্তারা উত্যক্ততা প্রতিরোধে কঠোর আইন প্রণয়নের দাবি জানান৷

কন্যাশিশুদের অংশগ্রহণে মুখরিত মানিকগঞ্জেরর্ যালি ও আলোচনাসভা
বিভিন্ন শ্রেণী পেশার দুই শতাধিক নারী পুরুষ আর শিশুদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্যর্ যালি শহর প্রদক্ষিণ করে৷র্ যালি শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়৷ মানিকগঞ্জ সদরের ধারারিয়া ইউনিয়নের খাবাসপুর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আবু বকরের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়৷ আলোচনা সভায় বক্তারা কন্যাশিশুদের প্রতি সমাজের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষনের বিষয়ে একমত প্রকাশ করেন ৷ এছাড়া মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরি, সিংগাইর ও জয়মন্টপে দিবসটি পালিত হয়৷

নরসিংদীতে অধিকার-সংরক্ষণে সোচচার কন্যাশিশুদেরর্ যালি
নরসিংদী মহিলা কলেজে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়৷ কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষসহ অন্যান্য শিক্ষকরা কন্যাশিশুদের অধিকার সংরক্ষণে সমস্যা ও তার সমাধান নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করেন৷ স্থানীয় উজ্জীবক ও নারী নেত্রীদের সহযোগিতায় একটি বর্ণাঢ্যর্ যালিরও আয়োজন করা হয় সকালে৷র্ যালিতে প্রায় ২০০ ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে৷ জেলার শিবপুর ও রায়পুরাতেওর্ যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়৷

কন্যাশিশুর পরিপূর্ণ বিকাশে রাজশাহীতে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার্
যালি, আলোচনা সভা, উপস্থিত বক্তৃতা এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় এদিন দিনভর মুখর থাকে রাজশাহীর কন্যাশিশুরা৷ শহরের মুক্তধারা শিক্ষা নিকেতনে কন্যাশিশুদের জন্য উপস্থিত বক্তৃতার আয়োজন করা হয়৷ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলার ফোরাম সভাপতি জায়তুনা খাতুন এবং সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন অধ্যাপিকা রোজেটি নাজনীন৷ প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়৷
ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের আয়োজনে বিনোদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কন্যাশিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়৷ অনুষ্ঠানে আগত শিশুদের উদ্দেশে স্কুলের সহকারী শিক্ষক ছালেহা আক্তার বলেন, ‘এভাবে প্রতিটি বিশেষ দিবসের সাথে শিশুদের সম্পৃক্ত করলে পরবর্তীতে তারা নিজেরাই জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে৷’

নাটোরে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় সকল স্-রের কন্যাশিশুর অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণের প্রতিশ্রুতি
শহরের সানফ্লাওয়ার কিন্ডারগার্টেন স্কুলে কন্যাশিশুদের অধিকার রক্ষায় আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়৷ এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা ফোরাম সভাপতি মো. মোস্-াফিজুল ইসলাম মোস্-াক৷ প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক জিয়া উদ্দিন আহমেদ৷ আলোচনা সভায় কন্যাশিশুদের অধিকার আদায়ে সকলের অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করা হয়৷ পরে সন্ধ্যায় কন্যাশিশুদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান৷

কন্যাশিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠায় অভিভাবকদের ভূমিকার প্রতি গুরুত্বারোপ করে বগুড়ায় আলোচনাসভা
ওয়ার্ড কমিশনার মো. সিপার আল বখতিয়ারের সভাপতিত্বে বগুড়ার মালতী নগর কমিউনিটি সেন্টারে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেফিনা বেগম৷ তিনি তাঁর বক্তব্যে কন্যাশিশুতের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অভিভাবকদের গ্রুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা বলেন৷

শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ততা প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে পাবনায় মতবিনিময় সভা
ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার, এডওয়ার্ড কলেজ ইউনিটের আয়োজনে পাবনার এডওয়ার্ড কলেজ প্রাঙ্গণের্ যালি ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়৷ মতবিনিময় সভায় শিক্ষার্থীরা উত্ত্যক্ততা ও প্রতিরোধ বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন৷ সেইসাথে কলেজের শিক্ষার্থীদেরকে উত্ত্যক্ততা প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহবান জানান৷ এছাড়া পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতের্ যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়৷ স্কুলের শিক্ষার্থী, স্থানীয় উজ্জীবক ও নারী নেত্রীরা এতে অংশগ্রহণ করেন৷

চাঁপাইনবাবগঞ্জে উত্ত্যক্ততা প্রতিরোধে কমিটি গঠন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের টিকরামপুর উচচ বিদ্যালয় থেকে সকালে একটি বর্ণাঢ্যর্ যালি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অতিক্রম করে৷র্ যালিতে উজ্জীবক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে৷ বিকেলে বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়৷ সভায় এলাকার কন্যাশিশুরা যাতে উত্ত্যক্ততার শিকার না হয়, সেজন্য উত্ত্যক্ততা প্রতিরোধে একটি কমিটি গঠন করা হয়৷ এই কমিটির দায়িত্ব উত্ত্যক্ততাকারীদের অভিভাবকদের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে পরিবার থেকেই উত্ত্যক্ততাকারীদের প্রতিরোধ করা৷ শুধু তাই নয়, এরপরও যদি কেউ উত্ত্যক্ততার শিকার হয়, তবে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়ানোরও অঙ্গীকার ব্যক্ত করে এই কমিটি৷

সমাজে সর্বস্-রের অংশগ্রহণে কন্যাশিশু দিবসে জয়পুরহাটে পালিত হয় ব্যতিক্রম মানববন্ধন
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার আক্কেলপুর-বগুড়া সড়কে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়৷ এতে আক্কেলপুর পৌরসভার মেয়র মো. কামরুজ্জামান, আক্কেলপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ওমপ্রকাশ আগরওয়ালা, মুজিবর রহমান ডিগ্রী কলেজের শিক্ষকরা ছাড়াও গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ প্রায় ৩ শতাধিক নারী পুরুষ অংশগ্রহণ করেন৷ শত শত মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ মানব বন্ধন স্থানীয় জনগণের মধ্রে ব্যাপক সাড়া জাগায়৷ এছাড়া পাঁচ বিবি উপজেলায়র্ যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়৷

ভিতরবন্দে পাঁচ কিলোমিটার লম্বা বর্ণাঢ্যর্ যালি
প্রথমবারের মতো কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দে উদযাপিত হয় কন্যাশিশু দিবস৷ আর প্রথমবারেই তাক লাগিয়েছে ভিতরবন্দবাসী৷ বর্ণাঢ্যর্ যালি, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দিনব্যাপী মাতোয়ারা ছিল এখানকার কন্যাশিশুরা৷ প্রায় পাঁচ কিলোমিটারব্যাপী লম্বার্ যালি ভিতরবন্দ শহর প্রদক্ষিণ করে৷র্ যলিতে প্রায় ২৫০০ নারী পুরুষ অংশগ্রহণ করেন৷র্
যালি শেষে শুরু হয় আলোচনা সভা৷ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ শফিউল আলম শফি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভিতরবন্দ বালিকা উচচ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন ও সহকারী শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম৷ আলোচনা শেষে স্থানীয়ভাবে তারা যৌতুক ও বিবাহের বিরুদ্ধে সম্মিলিত আন্দোলনের ঘোষণা দেন৷

পরিবারে কন্যাশিশুর ভবিষ্যত নিশ্চিতকরণে গাইবান্ধায় বীজ বিতরণ
গাইবান্ধা শহরের দক্ষিণ পাড়ায়র্ যালি ও আলোচনা শেষে উপস্থিত প্রতিটি কন্যাশিশুর পরিবারকে বীজ বিতরণ করা হয়৷ বীজ বপণের মাধ্যমে প্রতিটি কন্যাশিশুর পরিবার তাদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে- এটাই ছিল বীজ বিতরণের উদ্দেশ্য৷
শিশুর প্রতিভা বিকাশে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন স্থানে রচনা প্রতিযোগিতা ও উপস্থিত আয়োজন
টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলার মধ্যে ১০টি উপজেলার ৩০টি স্থানে দিবসটি উদযাপন করা হয়৷ টাঙ্গাইল সদর, গোপালপুর, মধুপুর, নাগরপুর, মির্জাপুর, ভুয়াপুর, ঘাটাইল, বাসাইল, কালিহাতি ও দেলদুয়ার উপজেলার বিভিন্ন স্থানের্ যালি, আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা ও উপস্থিত বক্তৃতার আয়োজন করা হয়৷

করিমগঞ্জে কন্যাশিশুদের ব্যতিক্রম সাইকেলর্ যালি
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার কন্যাশিশুরা দিবসটি পালনে এক অভূতপূর্ব উদ্যোগ গ্রহণ করে৷ বিভিন্ন ইউনিয়নের ২০জন কিশোরী এক হয়ে কন্যাশিশুর অধিকার সম্বলিত বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বাইসাইকেলর্ যালি করে৷ তারা সকাল বেলা গোজাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সাইকেলে চড়ে গোটা করিমগঞ্জ উপজেলা পরিভ্রমণ করে৷ কিশোরীদের এমন সাহসী বাইসাইকেলর্ যালি উপজেলার সর্বস্-রের মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগায়৷ পরে কন্যাশিশুদের অধিকার রক্ষায় শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এক আলোচনা সভায় বসে৷ সভায় বক্তারা উত্ত্যক্ততা প্রতিরোধে সকলকে সম্মিলিত প্রচেষ্টা গ্রহণের আহবান জানান৷

বিতর্কে মুখর ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী আনন্দমোহন কলেজে আনন্দমোহন কলেজ ডিবেটিং সোসাইটি ও ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার, কলেজ ইউনিটের যৌথ আয়োজনে ুশাস্-ি নয়, সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমেই উত্ত্যক্তকারীদের প্রতিরোধ করা সম্ভব” শীর্ষক এক বিতর্কানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়৷ দু’দল ছেলে মেয়ে বিতর্কে পক্ষ বিপক্ষ নিলেও কন্যাশিশুদের অধিকার রক্ষাই শেষপর্যন্- সবার কাছে মুখ্য বিষয় হয়ে দাঁড়ায়৷

ঝিনাইদহের কন্যাশিশুদের সক্রিয় ভূমিকায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ
হদরাইল গ্রামের সুধীর বিশ্বাস তার তৃতীয় শ্রেণীতে পড়া মেয়ের বিয়ে আগেই ঠিক করে রেখেছিলেন৷ ব্যাপারটা যেন কেউ আগেভাগে টের পেয়ে না যায়, সে ব্যবস্থাও তিনি পাকাপোক্ত করে রেখেছিলেন৷ সারাদিন ধরের্ যালি, আলোচনা সভা শেষ করে ঝিনাইদহের কন্যাশিশুরা তখন মুনুড়িয়া মূর্ছনা সবুজ সুর নিকেতনের শিল্পীদের পরিবেশনায় নাচ-গান উপভোগ করছিল৷ অনুষ্ঠানের মধ্যেই স্থানীয় প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক ক্ষিতীশ চন্দ্র বিশ্বাসের নেতৃত্বে একদল স্থানীয় বলিষ্ঠ উজ্জীবক, সোচচার নারী নেত্রী, স্বেচছাব্রতী প্রশিক্ষকরা সুধীর বিশ্বাসের বাড়িতে যায় এবং বাল্যবিবাহের কুফল ও ভবিষ্যতে ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরে৷ মেলে প্রত্যাশিত সাড়াও৷ আর বন্ধ হয় তৃতীয় শ্রেণীতে পড়-য়া বালিকার বিবাহ৷

সিলেট-হবিগঞ্জ-সুনামগঞ্জ-মৌলভিবাজারে অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিকল্পনা গ্রহণ
একটি বর্ণাঢ্যর্ যালি সিলেট শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে৷ পরে দীপশিখা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়৷ সভায় সিটি ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. রেজাউল হক লোদি, কায়েস চৌধুরী ছাড়াও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন৷ নারী নেত্রী ও ভিটিআর হেনা বেগম সভার আয়োজক ছিলেন৷ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার বাঘামুরা ইউনিয়নের কালিকাপুর উচচ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের্ যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়৷ সুনামগঞ্জ ও মৌলভী বাজার বিভিন্ন স্থানে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা,র্ যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়৷

নোয়াখালীতে উত্ত্যক্ততা প্রতিরোধে কঠোর আন্দোলনের উদ্যোগ
নোয়াখালী সদরের জনতা বাজার, কাদিরহানিফ ইউনিয়নের সুজাপুর মাদ্রাসা ও থানারহাটে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ এছাড়া কবীরহাট উপজেলার সোন্দরপুর ইউনিয়নে আব্দুর রহিম চেয়ারম্যানের পরিচালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ সভায় উত্যক্ততা প্রতিরোধের জন্য সকলে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহনের সিদ্ধান্- নেন৷

বৈচিত্র্যপূর্ণ আয়োজনে ফেনী ও কুমিল্লায় কন্যাশিশু দিবস পালন
সকালে একটি বর্ণাঢ্যর্ যালি ফেনী শহর প্রদক্ষিণ করে৷ পরে শিল্পকলা একাডেমীতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ কুমিল্লাতেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালিত হয়৷ কুমিল্লা শহরের নবাব ফয়জুন্নেসা বালিকা উচচ বিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভা ওর্ যালির আয়োজন করা হয়৷ এছাড়া চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল, গলাই, সুহিলপুর ইউনিয়ন; লাকসাম শহর ও আজগরা, উত্তরদা ইউনিয়ন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার পৌরসভা ও জগন্নাথ ইউনিয়ন এবং মনোহরগঞ্জের ঝলম ইউনিয়নেও দিবস উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়৷

বঙ্গোপসাগরের মতই বিশাল প্রত্যাশায় নানা আয়োজনের মধ্যমণিতে ছিল চট্টল কন্যাশিশুরা
চট্টগ্রাম শিশু একাডেমী হতে এক বিশালর্ যালির আয়োজন করা হয়৷ পরে এক আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়৷ এছাড়া চকবাজার, মুরাদপুর, পটিয়া, লোহাগাড়ার পুদুয়া, ফটিকছড়ি, সীতাকুণ্ডতেও দিবসটি পালিত হয়৷ কক্সবাজার সদরে এ উপলক্ষের্ যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়৷
জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের সহযোগী সংগঠনসমূহ দিবসটি উদ্‌যাপনের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে৷
নিম্নে বিভিন্ন সংগঠনের বর্ণিল কর্মসূচির চিত্র তুলে ধরা হলো:

কারিতাস-বাংলাদেশ
কারিতাস, বাংলাদেশ তাদের বরিশাল অঞ্চলের বালোরিপাড়া, বরিশাল সদর, বাকেরগঞ্জ, কোটালিপাড়া, টুঙ্গিপাড়া, মনপুরা, কলাপাড়া, কালকিনি, উজিরপুর; বৃহত্তর খুলনা জেলার রামপাল, মংলা, গোপালগঞ্জ, মকসুদপুর, মেহেরপুর, দামুড়হুদা, ঝিকরগাছা, ডুমুরিয়া, সাতক্ষীরা, কালিগঞ্জ, কলারোয়া, আশাশুনি; দিনাজপুরের মিঠাপুকুর, পাঁচবিবি, ঠাকুরগাঁও এবং চট্ট্রগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায়র্ যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে৷

ইয়াং উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান এ্যাসোসিয়েশন (ওয়াইডব্লিউসিএ) এর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, কন্যাশিশুরা পেল উপহার
মায়েরা এ দিন বেশ প্রস্তুতি নিয়েই এসেছিলেন৷ যাতে তাদের কন্যারা আগেভাগে টের পেয়ে না যায় তাদের দুরভিসন্ধির কথা৷ এক্ষেত্রে মায়েরা বেশ সফল৷ কারণ বর্ণাঢ্যর্ যালি শেষ হওয়ার আগ পর্যন্- তাদের কন্যারা কিছুই আঁচ করতে পারেনি৷ কিন্তু তারা যখন স্কুলে ফিরে আসে, ঠিক তখনই মায়েরা তাদের আঁচলে লুকানো উপহারগুলো তুলে ধরে তাদের কন্যাদের সামনে৷ এমন দারুণ উপহার পেয়ে তাই যারপরনাই খুশি ওয়াইডাব্লিউসিএ’র ১২টি স্কুলের কন্যাশিশুরা৷

আহ্‌ছানিয়া মিশন
আহ্‌ছানিয়া মিশন তাদের সারা দেশের বিভিন্ন কেন্দ্র যেমন, বরগুনা, যশোর, ঝিনাইদহ, জামালপুর, নরসিংদী, মাধবদী, মেলান্দহ, সরিষাবাড়ী, কেশবপুর, ভেপুটিয়া এবং বরগুনায় আলোচনা সভার আয়োজন করে৷




হীড বাংলাদেশ (হেল্‌থ এডুকেশন এন্ড ইকোনোমিক ডেভেলপমেন্ট)
হীড বাংলাদেশ তাদের কর্ম এলাকা মংলা, ফকিরহাট, ফুলবাড়ী এই ৩টি স্থানে বর্ণাঢ্যর্ যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে৷ এসবর্ যালি ও আলোচনা সভায় সর্বস্-রের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল৷ উপস্থিত সকলে কন্যাশিশুর অধিকার রক্ষার সংগ্রামে নিজেদের সম্পৃক্ত করার কথা বলেন৷

স্যাপ বাংলাদেশ (সাউথ এশিয়া পার্টনারশীপ)
স্যাপ বাংলাদেশ কন্যাশিশুদের অধিকার রক্ষায় সাধারণ মানুষকে সচেতন করার লক্ষ্যে একটি পোস্টার প্রকাশ করে৷ ‘কিশোরীকে বন্দি নয়, উত্ত্যক্তকারীর শাস্-ি চাই’ স্লোগানসম্বলিত পোস্টারগুলো স্যাপ বাংলাদেশের ৫টি পার্টনারসহ সারা দেশের ৬০০এর অধিক এনজিওতে পাঠানো হয়৷ এছাড়াও জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের ‘উত্ত্যক্তকারীর শাস্-ি; কন্যাশিশুর মুক্তি’- এই স্লোগানটি লিখে গেঞ্জি প্রকাশ করে৷ যা কন্যাশিশু ফোরামের বিভিন্ন সদস্য সংগঠনসহ ৩০০টির বেশি এনজিওতে পাঠানো হয়৷
স্যাপ বাংলাদেশ নারী ও কিশোরীদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে নিজেদের ৫টি পার্টনার সংস্থার মাধ্যমে বগুড়া, পটুয়াখালী ও শেরপুর জেলার ৫টি উপজেলায় কাজ করে৷ দিবসটি উপলক্ষে সংস্থাগুলো তাদের কর্ম এলাকায়র্ যালি, লিফলেট বিলি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে৷ এসবর্ যালি ও আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ৷ আলোচনা সভায় উপস্থিত সবাই উত্ত্যক্তকারীদের প্রতিহত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন৷

সুরভী
সুরভী রাজধানী ঢাকার মূল কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ ছাড়াও মহানগরীর ৩২টি ওয়ার্ড, গাজীপুরের ৮টি ওয়ার্ড, নারায়ণগঞ্জের ৮টি ওয়ার্ড, চট্টগ্রামের ৪টি ওয়ার্ড এবং লক্ষ্মীপুরের ৮টি ওয়ার্ডে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে৷ কন্যাশিশুর অধিকার আদায় এবং উত্ত্যক্তকারীকে প্রতিরোধ করার অঙ্গীকার নিয়ে সুরভীর কর্মসূচিগুলো হলো -র্ যালি, জনসমাবেশ, আলোচনা অনুষ্ঠান, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি, গল্প বলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান৷ এসব আয়োজনে স্কুলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক কর্মী, বেসরকারি স্বেচছাসেবী সংগঠনের কর্মী, কমিউনিটি একশন গ্রুপ এবং সেন্টার ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন৷

টিএমএসএস
টিএমএসএস তাদের বিভিন্ন কর্মএলাকা যেমন - সিলেট, চট্টগ্রাম ও ঢাকায়র্ যালি, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে৷ এসব কর্মকাণ্ডে দিনভর ব্যস্- থেকে দিবসটি পালন করে সংস্থার কিশোর কিশোরীরা৷

এএসডি (এসিসট্যান্স ফর স্লাম ডুয়েলার্স)
এএসডি তার আইডিপিইউএডব্লিউ প্রকল্পের আওতায় ৫২টি কিশোর-কিশোরী গ্রুপে দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে৷ এছাড়া ৫টি কমিউনিটি রিসোর্স সেন্টারের কমিটি এবং নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ কমিটিতে কন্যাশিশুদের অধিকার রক্ষায় আলোচনা করা হয়৷
 

National Girl Child Advocacy Forum

Contact Us

3/7 Asad Avenue Mohammodpur, Dhaka-1207

Ph-(880-2) 8112622, (880-2) 8127975, Fax-(880-2)8116812, E-mail-thpb@bangla.net